Author Archives: Souvik Banerjee

অপূর্ব অরুণাচল

১ম দিন

৩ এপ্রিল আমাদের flight ছিল কলকাতা থেকে গুয়াহাটির জন্যে, জীবনের প্রথম flight। এর আগে অনেকের কাছেই check-in সম্পর্কে অনেক কিছু শুনে থাকার সুবাদে বেশ আগেভাগেই airport এ গিয়ে হাজির হলাম আমি আর আমার বউ রিমা।
বড় Luggage এর security scan এবং ওজন করিয়ে পাঠিয়ে দিলাম aeroplane এ তোলার জন্যে। এখানে আমাদের দেওয়া হলো boarding pass আর cabin baggage এর জন্য tag। এবার নিজেরা দাঁড়ালাম security check এর line এ। প্রথমবার, তাই পিঠের bag এ ছাতা, power bank সব ধরা পড়লো scan এ। bag থেকে ওগুলো বের করে একটা plastic এর tray তে রাখতে হলো – এটাই নাকি নিয়ম, আবার scan হলো bag এর। এবার বিনা বাঁধায় security check পার হয়ে গেল। আবার ব্যাগ এ ছাতা, power bank ভরে চললাম plane ধরতে।
এতদিন plane দেখেছি আকাশে, এখন দেখলাম তার বিশালত্ব, plane এর সামনে selfie নিলাম ও plane এর ছবি তুললাম কয়েকটা।
Plane এ ওঠার পর steward সব বুঝিয়ে দিল – seat belt বাঁধার নিয়ম, emergency তে কি করণীয় ইত্যাদি। plane ছাড়ার পর জলখাবার দিল – sandwich, muffin ও fruit juice।
গুয়াহাটির কাছাকাছি এসে জানতে পারলাম আকাশ মেঘলা, কালো মেঘের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় plane এর গায়ে ঘষা লেগে ঘরঘর আওয়াজ হচ্ছিল, যাতে আমাদের ভয় লাগলেও, শেষ পর্যন্ত ভালো ভাবেই নামলাম Lokpriya Gopinath Bordoloi International Airport এ। কলকাতায় plane এ ওঠার সময় একটা bus আমাদের airport থেকে plane অবধি পৌঁছে দিয়েছিল, তবে এখানে plane থেকে নেমে একটা tunnel এর ভিতর দিয়ে আমরা সোজা airport এ ঢুকে গেলাম।
Revolving belt থেকে luggage strolley তে তুলে, trolley ঠেলে এসে দাঁড়ালাম airport এর বাইরে। আগে থেকে যে গাড়ি ওয়ালার সাথে কথা হয়েছিল, সে পাঠিয়ে রেখেছিল একটা 17 seater traveller গাড়ি। আমাদের গাড়ি ছাড়লো Nameri Reserve Forest এর দিকে।
নতুন শহর, চোখ মেলে দিলাম জানলার বাইরে – গাড়ি তখন ছুটে চলেছে সরাইঘাট সেতুর উপর দিয়ে, ব্রহ্মপুত্র নদ পেরিয়ে। নদ এখানে অনেকটাই চওড়া, এখানে পাশাপাশি দুটো bridge, আমরা গেলাম নতুন bridge এর উপর দিয়ে।
চারিদিকে খয়েরি পাহাড় পেরিয়ে আমরা Jeobhoreli Resort পৌঁছালাম বেলা 3টে নাগাদ। মাঝে আমরা 2বার থেমেছিলাম, একবার চা এর (আসামের চা এর লোভে) জন্যে, আরেকবার lunch এর জন্যে Darrang Resort এ। চা খুব ভালো হলেও, lunch খাওয়ার জন্যে ওই হোটেল কখনই অনুমোদিত নয়।
Nameri পৌঁছে, fresh হতে হতেই নামলো অন্ধকার, ভেবেছিলাম পার্শ্ববর্তী জিয়া ভরেলি নদীতে যাব একবার, কিন্তু অন্ধকার হয়ে যাওয়াতে plan cancel করতে হলো। আগে থেকে বলা ছিল camp fire এর জন্যে কিন্তু বিগত কয়েক দিনে প্রচন্ড বৃষ্টি হওয়ায় ও সব কাঠ ভিজে যাওয়ায়, এটাও আর হলোনা, কিছুক্ষণ পরেই এমন হুড়মুড়িয়ে বৃষ্টি নামলো যে আমরা নিজেদের ঘরেও যেতে পারলাম না, আটকে পড়লাম dining hall এ।
জায়গাটার বিবরণ দেওয়া যাক এখানে, মাঝখানে বিশাল চার দিক খোলা টিনের চাল দেওয়া dining hall, পাশে অনেকটা জায়গায় ছড়ানো কয়েকটা cottage। এই রকম পরিবেশে শুরু হলো জমিয়ে আড্ডা আর ভূতের গল্প। বৃষ্টি যখন একটু ধরলো, আমরা রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়লাম।

২য় দিন
আজ সকাল সকাল উঠে আমরা চললাম জিয়া ভারেলি নদীর উদ্দেশ্যে। কাল যে গাড়ি নামেরি নিয়ে এসেছিল, তা কাল রাত্রেই ফিরে গেছিল, আজ কথা ছিল নতুন গাড়ি আসার। কিন্তু সেই গাড়ি তখনও না আসায় আমরা হেঁটেই চললাম নদীর দিকে। লোকমুখে শুনেছিলাম একটু রাস্তা, কিন্তু প্রায় আধ ঘন্টা লেগে গেল সেখানে পৌঁছাতে। তবে নদীর দিকে আসার আগে ফরেস্ট অফিস থেকে permit নিতে হয়েছিল।
নদীর ধারে পৌঁছে এত হাঁটার সব ক্লান্তি মুছে গেল – সে এক অপূর্ব দৃশ্য। ঠান্ডা হাওয়া বইছে মৃদুমন্দ, আকাশে সূর্য তখনও পাহাড় ছাড়িয়ে ওঠেনি, আর এর মধ্যেই বয়ে চলেছে কুলকুল শব্দে জিয়া ভারেলি নদী।
FB_IMG_1504548767523
নদীতে থাকা নৌকাতে চড়ে আমরা গেলাম নদীর অন্য পারে, সেখানে শুরু জঙ্গল, Nameri Reserve Forest, যা প্রায় 2000 বর্গ কিলোমিটার ছড়ানো। তবে এখনও বর্ষা শুরু না হওয়াতে নৌকা থেকে নেমে অনেকটা হেঁটে যেতে হলো, শুকনো নদীখাত পেরিয়ে।
জঙ্গলে পৌঁছে সেখানের office এ permit দেখিয়ে সঙ্গে পেলাম একজন guide। সে কাঁধে একটা বন্দুক নিয়ে আমাদের আগে আগে চলল পথ দেখিয়ে। কিছুদূর হাঁটার পরে, জঙ্গলে ভুট্টা ক্ষেতের মধ্যে – বেশ খানিকটা দূরে দেখতে পেলাম একটা হাতি, সেটা বন্য না পোষ্য দেখে বোঝা গেলনা, তবে guide সেটাকে বন্য বলেই দাবি করলেন। আরও কিছু দূর গিয়ে একটা watch tower পেলাম, তাতে উঠলাম কিছু দেখতে পাওয়ার আশায়। কিন্তু সেই tower টাকে চারিদিক থেকে এত গাছ ঢেকে রেখেছে যে বেশিদূর দেখতে পেলাম না। বেলা বাড়তে থাকায় আমরা এইখানেই আমাদের জঙ্গল ভ্রমণ শেষ করে ফিরে এলাম নদীর দিকে, আমাদের resort এর জন্য।
মোটামুটি যখন জঙ্গল থেকে বেরিয়ে এসেছি, তখন আরেকটা group কে দেখা পেলাম, তারা তখন জোঁক ঝাড়তে ব্যস্ত – আমাদের ভাগ্য ভালো ছিলো যে আমাদের কাউকেই জোঁক ধরেনি।
নদী অবধি আসতে আসতেই ফোন পেলাম আমাদের নতুন গাড়ি এসে গেছে, সেটাকেই নদীর ধারে ডেকে নিলাম। গাড়ি করে resort ফিরে জল খাবার খেয়ে নিলাম। ঘর থেকে luggage বের করে চাপালাম গাড়ির মাথায়, শুরু হলো আমাদের যাত্রা দিরাং এর দিকে।
***
নামেরি থেকে দিরাং এর দূরত্ব মোটামুটি 162km, Google এ দেখিয়েছিল যেতে সময় লাগবে 5 ঘন্টা মতো, কিন্তু পাহাড়ের রাস্তায় Google এর algorithm খাটেনা বলে, সময় লাগলো তার চেয়ে অনেক বেশি।

Boat ride at Sundarban

Into the Mangrove Forest

9th Jan 2016

6:30 from Sealdah (SDAH) to Canning (CG)
From Canning by Magic to Gosaba/ Godkhali
From Gosaba Boat to Sunderban National Forest
Permission from Sajnekhali Wild Life Sanctuary
Visited SudhanyaKhali Camp

10th Jan 2016

Re-confirmed our presence at Sajnekhali Wild Life Sanctuary.
Visited Dobanki Camp
Back to Kolkata via Canning Station.

IMG_0075

Gangtok – Natu La – Lachung

Day 0: Train to NJP

12th June 2015: Content Awaited

Day 1: Gangtok

13th June 2015: Content Awaited

Day 2: Natu La

14th June 2015: Content Awaited

Day 3: Lachung

15th June 2015: Content Awaited

Day 4: Yumthang Valley & Zero Point (Yumesamdong)

16th June 2015: Content Awaited

Day 5: Gangtok and Back to NJP

17th June 2015: Content Awaited


Important Contacts:

  1. Hotel (Tamal Bhaumik: 9432219495)
  2. Hotel (Bapi Da: 03592204069/ 9434270927)
  3. Lachung Pkg. (Muktar: 9474490578)